শিরোনাম:
ফেনীর কথা ডেস্ক: সোনাগাজীর চরমজলিশপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জনপদ ও মানুষের ঘরবাড়ী রক্ষায় ছোট ফেনী নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন
চরমজলিশপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা ও ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাতীয় পর্যায়ের শ্রমিক নেতা রবিউল হক শিমুল। নদী ভাঙ্গন থেকে এলাকাকে রক্ষার দাবীতে তিনি সরকারের প্রতি এ আহবান জানান।
তিনি বলেন ভাঙ্গন রোধে এক্ষুনি ব্যবস্থা না নিলে চরমজলিশপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জনপদ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। রবিউল হক শিমুল আরো বলেন, মুছাপুর ক্লোজারের ভাঙনের ফলে পানির গতি বৃদ্ধি ও চরমজলিশপুর ইউনিয়নের ছোট ফেনী নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হওয়ায় এ ভয়াবহ ভাঙন সৃষ্টি হয়।
নদী ভাঙ্গনের ফলে ইতোমধ্যে চরমজলিশপুর ইউনিয়নের চান্দলা, ছয়আনি, বদরপুরসহ আশপাশের গ্রামের অসংখ্য ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, সড়ক ও স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে ইউনিয়নের আরো অসংখ্য মসজিদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।
ফেনী জেলা বিএনপি নেতা রবিউল হক শিমুল গনমাধ্যমকে বলেন, ভাঙ্গন রোধে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পুরো চরমজলিশপুর ইউনিয়ন হুমকির মুখে পড়বে। আমরা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি। স্থানীয় জনগণকে সাথে নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছি। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে রক্ষা করতে সরকার যেন দ্রুত পদক্ষেপ নেয় সেজন্য বারবার চেষ্টা করে যাচ্ছি। অবিলম্বে নদী ভাঙ্গন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করা না হলে জনগণ আরো বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।
রবিউল হক শিমুল ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনের জন্য ফেনী জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম ও পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আক্তার হোসেন মজুমদারকে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য জেলা প্রশাসক জানান, নদীভাঙন রোধে পাউবোর সমন্বয়ে জিও ব্লক স্থাপনসহ অস্থায়ী কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে ও দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে এবং অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।