শিরোনাম:
এমএম রহমাতুল্লাহ: বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় দাবী আদায় ও বাস্তবায়ন কমিটি'র উদ্যোগে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে শনিবার এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈষম্যের শিকার পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শতভাগ বেতন-ভাতা রাষ্ট্রীয় কোষাগার হতে প্রদান সহ পেনশন প্রথা চালু এবং সকল প্রকার ব্লক পোষ্টে পদোন্নতির ব্যবস্থা রেখে গ্রহণযোগ্য সার্ভিসরুলস প্রণয়নের দাবীতে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। বিএপিএস বাস্তবায়ন কমিটি ৭টি দাবির পক্ষে আন্দোলন করছে। ৭টি দাবির মধ্যে রয়েছে পৌরসভার কর্মচারীদের বেতন ইউনিয়ন পরিষদের কর্মচারীদের আদলে ৭৫% প্রদান করে বৈষম্য দূরীকরণ, রাজস্ব যায় বৃদ্ধির জন্য এ সংক্রান্ত কমিটিতে জনপ্রতিনিধির পরিবর্তে কর্মকর্তাদের পদায়ন এবং সকল প্রকার নিয়োগে স্থানীয় সরকার বিভাগের সংশ্লিষ্টতা বৃদ্ধি করা।
মতবিনিময় সভার শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন বিএপিএস কেন্দ্রীয় দাবী আদায় ও বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার ম ই তুষার। মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আলীম মোল্লা।
সভার সভাপতি বলেন, যেকোনো মূল্যে আমাদের দাবি আদায় করতে হবে। আমাদের আন্দোলনের শুরুতেই সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবিসহ সকল পেশাজীবিকেই সম্পৃক্ত করতে হবে। পৌরসভার সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ভাতা যেন সঠিক সময়ে প্রদান করা হয় এবং সরকারি তহবিল থেকে বেতন দেয়ার দাবি জানানো হয়।
বিএপিএস খুলনা বিভাগীয় সেক্রেটারি এবং দাবী আদায় ও বাস্তবায়ন কমিটির জয়েন্ট কনভেনর তাসমিন আলী লিলি বলেন, আমরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করেও প্রায় ৮৮ মাস ধরে পুরো বেতন পাচ্ছিনা। আমাদের দাবি সরকার আমাদের দাবি মেনে নিবে, নাহলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাবো।
বাংলাদেশে ৩৩০টি পৌরসভার ৩৫ হাজার কর্মচারীদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভায় আরো আলোচনা করেন বিএপিএস সাধারণ সম্পাদক জনাব আবদুস সাত্তার, দাবী আদায় ও বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব প্রকৌশলী বাবুল মোল্লা, কাজী রফিকুজ্জামান রফিক, নুরুন্নাহার স্মৃতি, মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, নূর মোহাম্মদ, মোঃ কামাল উদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ দুলাল প্রমূখ।
সভায় তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বিগত বছরগুলোতে কর্মকর্তা, কর্মচারীদের মাঝে বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।